কারিগরি শিক্ষা খাতে নতুন করে নিয়োগ পাওয়া প্রায় ১১০০ শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে বেতনবঞ্চনার শিকার হচ্ছেন, যা প্রশাসনিক জটিলতা ও ধীরগতির একটি উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরছে। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের সুপারিশে গত বছরের সেপ্টেম্বরে যোগদান করলেও তাদের এমপিও কার্যকর হয় ডিসেম্বর থেকে। ফলে যোগদানের পর প্রথম তিন মাস—সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর—এই সময়ের কোনো বেতন পাননি তারা।

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এসব শিক্ষক অভিযোগ করছেন, একই সময়ে সাধারণ ও মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা নিয়মিত বেতন পেলেও তাদের ক্ষেত্রে অযৌক্তিক বিলম্ব ঘটছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরও কোনো কার্যকর সমাধান না পাওয়ায় তারা আন্দোলনেও নামতে বাধ্য হয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অধিকাংশ শিক্ষক যোগদান এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলেও প্রশাসনিক ধীরগতি ও ম্যানুয়াল প্রক্রিয়ার কারণে এমপিও কার্যকর হতে বিলম্ব হয়। এতে করে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা আর্থিক সংকটে পড়ছেন এবং অনেকেই ধার-দেনায় জর্জরিত হয়ে পড়েছেন।

শিক্ষকদের দাবি, যোগদানের তারিখ থেকেই বেতন প্রদানের নীতিমালা বাস্তবায়ন না হওয়ায় তাদের পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন হচ্ছে। তারা দ্রুত বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল করার আহ্বান জানিয়েছেন।