চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় নাঈম অটো মোবাইল ও বীজ ভান্ডারের গুদামে অবৈধভাবে মজুদ করা ১ হাজার ৫০০ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় গুদামটি সিলগালা করা হয়।

অভিযানকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজ্জাদ হোসেন ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণা সরকার উপস্থিত ছিলেন। 

তবে , এই সার মজুদ ও বিক্রি সংক্রান্ত বিষয় উপজেলা ও সহকারী কৃষি কর্মকর্তা, সার ডিলার রেজিস্ট্রার খাতা দেখে সারের মজুদ ও বিক্রির বিষয়টি নিশ্চিত করে থাকে। কিন্তু এ জেলায় উপজেলা কৃষি ও সহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে সব সময় সার সংক্রান্ত কোন সমস্যা সৃষ্টি হলে তারা নিজেরা অপরাধী হয়েও কৌশলে বিচারকের ভুমিকায় থাকে বলে ভুক্তভোগী কৃষকরা অভিযোগ করেছেন। সে কারনে অবৈধভাবে সার মজুদ ও বেশী দামে কৃষকদের কাছে সার বিক্রির বিষয়টি কোনভাবেই ঠেকানো যাচ্ছেনা।

প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী নাঈম হোসেনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সার বিক্রির অভিযোগ থাকলেও সেটা কি কারনে উপজেলা কৃষি ও সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জানেনা, সেটা প্রশ্নবিদ্ধ ! কারন প্রত্যেক সময় তারা সার মজুদ ও বিক্রি সংক্রান্ত রেজিস্ট্রার যাচাই করে থাকে। কিন্তু এ প্রতিষ্ঠানটি আগেও একাধিকবার ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানার মুখে পড়লেও প্রতিষ্ঠানটিকে কোন পর্যবেক্ষণের আওতায় আনেননি কৃষি কর্মকর্তারা।

দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ  শেখ মেসবাহ্ উদ্দিন শনিবার (২৪ অক্টোবর)  রাত সাড়ে ১১টার সময় জানান, এদিন রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ১ হাজার ৫০০ বস্তা সার অবৈধভাবে মজুদের দায়ে দামুড়হুদার নাঈম অটো মোবাইল ও বীজ ভান্ডারের স্বত্ত্বাধিকারী নাঈম হোসেনের বিরুদ্ধে উপজেলা কৃষিকর্তা বাদী হয়ে যে মামলাটি করবেন সেটা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।