ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিজয়া দশমীর দিনে দেবী দূর্গার বিদায়ের বেলায় ভক্তদের মাঝে বিষাদের ছায়া। অপর দিকে আজকের দিনে দূর্গাদেবী মহিষাসুরকে পরাজিত করে বিজয় অর্জন করায় বিজয়ের আনন্দে মেতে উঠেছে ভক্তরা।

বুধবার সকালে ঘটগুলো সরানোর পর শুরু হয় দশমী যাত্রা। এর মধ্য দিয়ে মা-দূর্গাকে আনুষ্ঠানিক বিদায় জানানো হয়।

অপর দিকে জেলা শহরের রামঠাকুর ক্লাবুর ক্লাব, গগন সাহার বাড়ি রোড সার্বজনীন পূজা মন্ডপ, আনন্দময়ী কালীবাড়ি, দক্ষিণ কালীবাড়ি, কালভৈরব মন্দির, টাউন সার্বজনীন পূজা মন্ডপ, কান্দিপাড়া পূর্ণ মুক্তার বাড়ি, পৌদ্দার বাড়িসহ বিভিন্ন মন্দিরে সিঁদুর খেলায় মেতে উঠেন হিন্দু রমনীরা।

গগন সাহাবাড়ি পূজামন্ডপে উপস্থিত মুক্তা সাহা, দিপ্তী সাহা, সীমা জানান, তারা দেবী দূর্গা মায়ের কাছে প্রার্থনা করেছেন, মা-যেন স্বামী সংসারে সবাইকে সুখে শান্তিতে রাখেন। দেশের প্রতিটি মানুষ যেন সুখে শান্তিতে থাকেন।

শহরের রামঠাকুর ক্লাবের পূজা মন্ডপে সিঁদুর খেলায় অংশ নেয়া নিপা বনিক, শিপ্রা সাহা, সুমা সাহা জানান, মায়ের বিদায়ের সুরে যেমন কষ্ট হচ্ছে, তেমনি আবার আসবে বলে মনে শান্তনা পাচ্ছি। এরই মাঝে আগামী এক বছর স্বামী সংসারে যেন ভাল থাকি সেই প্রার্থনা করছি। পাশাপাশি সিঁদুর খেলার মাধ্যমে আমাদের প্রত্যাশা মা-আমাদেরকে সুখে শান্তিতে রাখবেন। পরে সুখ শান্তির প্রত্যাশায় একে অপরকে সিথিঁতে সিঁদুর পরিয়ে দেন। এসময় সিঁদুরের আলতা রঙে সকলে রাঙিয়ে তুলেন পুরো মুখমন্ডল।

এদিকে গগণ সাহার বাড়ি পূজা মন্ডপের পুরোহিত রতন চক্রবর্তী জানান, দেবীদূর্গা অশুভ শক্তি অসুরকে পরাজিত করায় হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিটি ভক্ত কূলে বিজয়ের আনন্দ বিরাজ করছে। অন্য দিকে মায়ের বিদায়ের কালে প্রতিটি ভক্তের মনে বিষাদের বেদনা বিরাজ করছে। এক বছর পর মা দূর্গা সুখ-শান্তির বার্তা নিয়ে ফিরে আসবেন সেই প্রত্যাশাই করছেন ভক্তরা।