ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে গরুর ঘাস কাটা নিয়ে বিরোধের জের ধরে দুইদল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে ইউপি চেয়ারম্যানসহ উভয়পক্ষের কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে সরাইল-নাসিরনগর আঞ্চলিক সড়কের বড্ডাপাড়ায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সকালে বড্ডাপাড়ার ইকিন আলীর ছেলে আলমগীর গ্রামের একটি জমিতে গরুর জন্য ঘাস কাটতে যায়। এ সময় একই গ্রামের জাহের মিয়ার ছেলে ফারুক ও হুমায়ূন জমি থেকে ঘাস কাটতে বাঁধা দেয় ও পওে আলমগীরকে মারধোর করে।
এ ঘটনায় দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলতে থাকলে সন্ধ্যায় স্থানীয় সর্দাররা বিষয়টি মীমাংসার জন্য বসে। এ সময় তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সরাইল- নাসিরনগর আঞ্চলিক সড়কের উপর সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
রাতের আধাঁরে টর্চ লাইটের আলোতে চলা সংঘর্ষ আর উভয় পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইট পাটকেল নিক্ষেপের ফলে পুরো গ্রামজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে আহত হন সরাইল সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার।
আহতরা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্স সহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়।
এ ব্যাপারে সহকারি পুলিশ সুপার (সরাইল-আশুগঞ্জ সার্কেল) জাহাঙ্গীর আলম জানান, গরুর ঘাস কাটা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।