আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে তৃতীয় দিন শেষে শক্ত অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদের হ্যাটট্রিকের পর ব্যাট হাতে দারুণ প্রতিরোধ গড়েছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। দুজনের ১৫৯ রানের জুটিতে ম্যাচে বড় ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার ভিত পেয়েছে বাংলাদেশ।
তৃতীয় দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ২২৩ রান। প্রথম ইনিংসে পাওয়া ১০৬ রানের লিড মিলিয়ে আফগানিস্তানের চেয়ে ৩২৯ রানে এগিয়ে আছে স্বাগতিকরা। ক্রিজে অপরাজিত রয়েছেন লিটন দাস ৫ রান ও মেহেদী হাসান মিরাজ শূন্য রানে।
দিনের শেষভাগে শান্ত ও মুশফিকের বিদায়ে ভাঙে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। ১৪৮ বলে ৯টি চারের সাহায্যে ৮১ রান করে জিয়াউর রহমানের বলে শহীদউল্লাহর হাতে ক্যাচ দেন মুশফিক। পরে কায়েস আহমেদের বলে বোল্ড হন শান্ত। ১৯১ বলে পাঁচটি চারে ৮২ রান করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
এর আগে প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। সাদমান ইসলাম ১৩ রান করে আউট হন। এরপর মুমিনুল হক ৭ রানে ফিরলে দলের বিপদ বাড়ে। তানজিদ হাসান ৩১ রান করে বিদায় নেন। একপর্যায়ে ৫৩ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
সেখান থেকে দলের হাল ধরেন শান্ত ও মুশফিক। চতুর্থ উইকেটে তাঁদের ১৫৯ রানের জুটি বাংলাদেশের অবস্থান মজবুত করে। দীর্ঘ সময় উইকেটে টিকে থেকে তাঁরা আফগান বোলারদের সাফল্য পেতে বাধা দেন এবং দলের লিড আরও বাড়িয়ে নেন।
মুশফিক ও শান্ত ফেরার পর হাসান মাহমুদ মাত্র ১ রান করে জিয়াউর রহমানের শিকার হন। এরপর আর কোনো উইকেট না হারিয়ে দিন শেষ করতে পারেনি বাংলাদেশ; ২২৩ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে মাঠ ছাড়ে দলটি।
এর আগে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে করা ৩৪৬ রানের জবাবে আফগানিস্তান ২৪০ রানে অলআউট হয়। এতে প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের লিড পায় বাংলাদেশ। আফগানিস্তানের হয়ে ইয়ামিন আহমদজাই ও জিয়াউর রহমান দুটি করে উইকেট নেন। মোহাম্মদ সালিম ও কায়েস আহমেদ নেন একটি করে উইকেট।
চতুর্থ দিনের সকালে লিটন ও মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে আরও রান যোগ করে আফগানিস্তানের সামনে বড় লক্ষ্য দাঁড় করানোই হবে বাংলাদেশের লক্ষ্য।

Advertisement