অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা সহ নানা অভিযোগে নাটোর সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জাসমিন আহম্মেদের অপসারন দাবীতে বিক্ষোভের মুখে তাকে অনির্দিষ্টকালের ছুটিয়ে পাঠিয়েছে জেলা প্রশাসক। বুধবার সকাল থেকে প্রধান শিক্ষকের কক্ষের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা।

এসময় কার্যালয়ে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন প্রধান শিক্ষক। পরে জেলা প্রশাসক সুমনী আক্তার বিদ্যালয়ে গিয়ে গণমাধ্যম কর্মীদের বহিরাগত বলে তোপের মুখে পড়েন।

শিক্ষার্থীরা জানান, ৬ষ্ঠ ও অষ্টম শ্রেণীর বোর্ড ফি ২৩৩ ও ২৮২ টাকা হলেও শিক্ষার্থীদের কাজ থেকে ৩০০ ও ৪০০ টাকা আদায় করে প্রধান শিক্ষক। এছাড়া সাড়ে ৯টাকার টিফিন সরবরাহ করে ১৮টাকা মূল্যের টিফিন লিখে ভাউচারের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে আসছেন তিনি। তাছাড়া স্কুল থেকে শিক্ষার্থীদের যে টিফিন দেওয়া হয়, তা নিম্নমানের ও অস্বাস্থ্যকর।
এছাড়া ক্রীড়া ফান্ড ও আইসিটি ফাণ্ড তসরুপের অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা। এনিয়ে প্রধান শিক্ষককে বারবার বলার পরেও তিনি কর্নপাত করেনি। এই অবস্থায় শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা ক্ষিপ্ত হয়ে প্রধান শিক্ষকের অপসারন ও অনিয়ম ও দূর্নীতির প্রতিবাদে প্রধান ফটকের সামনে বিক্ষোভ করেন।

এসময় কার্যালয়ে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন প্রধান শিক্ষক জাসমিন আহম্মেদ। পরে নাটোর জেলা প্রশাসক সুমনী আক্তার উপস্থিত হয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জাসমিন আক্তারের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠনসহ তাকে অনির্দিষ্টকালের ছুটিতে পাঠানোর ঘোষণা দিলে আন্দোলন প্রত্যাহার করে আনন্দ উচ্ছ্বাস প্রকাশ শিক্ষার্থীরা।