ময়মনসিংহের কাতলাসেন কাদেরিয়া কামিল (মাস্টার্স) মাদ্রাসার প্রভাষক (গ্রন্থাগার ও তথ্যবিজ্ঞান) মো. নুরুল আলমকে চাঁদা না দেওয়ায় শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল আনুমানিক ৮টা ৪০ মিনিটে মাদ্রাসার প্রধান ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি মাদ্রাসার লাইব্রেরি পরিষ্কার করার সময় কিছু পুরোনো ও অপ্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাতলাসেন গ্রামের মৃত আশরাফ আলী সরকারের ছেলে মো. বদিউজ্জামান সরকারসহ কয়েকজন ব্যক্তি মাদ্রাসার প্রভাষক মো. নুরুল আলমসহ আরও দুজনের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেন বলে জানা গেছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ওই আবেদন থেকে অব্যাহতি দেওয়ার বিনিময়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের কাছে অর্থ দাবি করা হয়। তবে মো. নুরুল আলম অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে মঙ্গলবার সকালে মাদ্রাসার গেট দিয়ে প্রবেশের সময় মো. বদিউজ্জামান সরকার তার ওপর হামলা করে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষক।

ঘটনার সময় দাপুনিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. মোজাম্মেল হক, স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক তারা মিয়াসহ আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে দাবি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

তবে অভিযোগে অভিযুক্ত মো. বদিউজ্জামান সরকারের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।