নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতার সঙ্গে জড়িত ১৬৩ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ।
কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধ, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জেলা পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) আহমেদ পেয়ার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আটককৃত মোট ১৬৩ জনের মধ্যে ২টি নিয়মিত মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে, ৯ জনকে দণ্ডবিধির ৩৪ ধারায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বাকি ১৫২ জনকে মুচলেখা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
আটককৃত সুধারাম মডেল থানায় মোট ২৮ জন। এর মধ্যে ৪ জনকে ৩৪ ধারায় গ্রেপ্তার এবং ২৪ জনকে মুচলেখায় পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
কোম্পানীগঞ্জ থানায় ৩ জনকে মুচলেখায় পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। বেগমগঞ্জ মডেল থানা ৩৭ জনকে মুচলেখায় পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। সেনবাগ থানায় ৯ জনকে মুচলেখায় পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
চরজব্বর থানায় ৭ জনকে মুচলেখায় পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। সোনাইমুড়ী থানায় ৫ জনকে মুচলেখায় পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। হাতিয়া থানায় মোট ৬৯ জন আটক। এর মধ্যে ২টি মামলায় গ্রেপ্তার ২ জন, ৩৪ ধারায় ৫ জন এবং ৬২ জনকে মুচলেখায় পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। কবিরহাট থানায় ৫ জনকে মুচলেখায় পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
নোয়াখালী জেলা পুলিশ জানিয়েছে, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা ও অপরাধপ্রবণতা নির্মূলে নিয়মিত অভিযানের পাশাপাশি কিশোরদের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সমন্বয়ে জনসচেতনতামূলক ও সামাজিক প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।