নোয়াখালী শহরকে একটি পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও জনকল্যাণমুখী শহর হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার ও বিএনপি নেতা আলহাজ্ব হারুন অর রশিদ। এলাকার অবহেলিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন এবং তরুণ সমাজকে মাদকমুক্ত রেখে একটি সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
আলহাজ্ব হারুন অর রশিদ নোয়াখালী সদর উপজেলার উত্তর মাইজদী এলাকার ঐতিহ্যশালী মকবুল আহমেদের বাড়ির এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা বুদ্ধিজীবি মরহুম মকবুল আহমেদ ছিলেন একজন বিশিষ্ট পাইকারি ব্যবসায়ী ও জেলখানার খাদ্য সরবরাহকারী। তাঁর মায়ের নাম পেয়ারা বেগম। তিনি নোয়াখালীর এক ঐতিহ্যশালী ব্যক্তিত্ব আবদুল আজিজ ওরফে কালামিয়া সর্দারের নাতি। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি তিন ছেলে ও দুই মেয়ের জনক।
স্কুলজীবন থেকেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে রাজনৈতিক অঙ্গনে পা রাখেন তিনি। বর্তমানে তিনি শহর বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছেন। রাজনৈতিক মতাদর্শ ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে ১/১১-এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে তাঁকে ৩১ দিন কারাবরণ করতে হয়েছিল।
শিক্ষাজীবান শেষে তিনি সফলতার সঙ্গে ব্যবসা ও ঠিকাদারি পেশায় যুক্ত হন। বর্তমানে তিনি নোয়াখালী পৌরসভার জেলখানা সংলগ্ন ১ নম্বর ওয়ার্ডের প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মুদি ও কম্পিউটারসহ মোট ৭টি ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।
জনগণের সুখে-দুঃখে সবসময় পাশে থাকা এই নেতা নিজ উদ্যোগে বহুমুখী সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য সামাজিক অবদানগুলোর মধ্যে রয়েছে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে এইচএসসি পর্যন্ত অসচ্ছল স্কুল শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার খরচ বহন। টানা ৪০ দিন একাধারে মসজিদে জামাতে নামাজ আদায়কারী তরুণদের মাঝে সাইকেল বিতরণ অসুস্থ ও দরিদ্র ব্যক্তিদের চিকিৎসায় নিয়মিত আর্থিক অনুদান প্রদান। ১৫টি অসহায় পরিবারের মাঝে জীবিকা নির্বাহের জন্য ১৫টি রিক্সা বিতরণ।
পিতৃমাতৃহীন অনাথ ছেলে মেয়েদের খাবার ও বিয়ের ব্যবস্থা করা এবং বিভিন্ন মসজিদে এসি ও ফ্যানসহ সার্বিক উন্নয়নমূলক কাজ করা।
তিনি ক্রীড়া অনুরাগী হিসেবে তরুণ সমাজকে মাদকমুক্ত ও খেলাধুলায় মনোনিবেশ করাতে ফুটবল, জার্সি, পায়ের বুট, ক্রিকেট ব্যাট, বলসহ বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেছেন। এছাড়াও পরিবেশ রক্ষায় উন্মুক্ত জলাশয়ে নিয়মিত মাছের পোনা অবমুক্ত করেছেন।
নোয়াখালী শহরকে একটি নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন জনপদ হিসেবে দেখতে চাওয়ার পেছনের মূল উদ্দেশ্য হলো অবহেলিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন। তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে, শহরের ময়লা-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করে শতভাগ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা। অবহেলিত রাস্তাঘাট মেরামত ও চলাচলের উপযোগী করা।
শহর ও অলিগলির অন্ধকার দূর করতে একশ শতাংশ আলোকসজ্জা (লাইটিং) নিশ্চিত করা।মাদক ও সন্ত্রাস শক্ত হাতে প্রতিরোধ করা। অবহেলিত রাজনৈতিক দলের কর্মীদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। স্কুলগামী ছাত্রীদের যাতায়াতের সময় বখাটেপনা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা।
জনগণের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করে নোয়াখালী পৌর এলাকাকে একটি মডেল ও আধুনিক শহর হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি দলমত নির্বিশেষে সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।